শিক্ষার্থী ও একাডেমিক
শিক্ষার্থীর তথ্য একবারই এন্ট্রি হয়, প্রতি বছর শুধু নতুন ক্লাসে ভর্তি — তাই ক্লাস বদলালেও আগের সব রেকর্ড থেকে যায়।
- ভর্তি, ট্রান্সফার, আর্কাইভ
- ক্লাস রুটিন ও পরীক্ষার রুটিন
- মার্কস এন্ট্রি, রেজাল্ট, মেধাতালিকা
স্কুল, মাদ্রাসা ও কোচিং ম্যানেজমেন্ট · বাংলাদেশ
ভর্তি, ক্লাস রুটিন, পরীক্ষা, রেজাল্ট, শিক্ষক-কর্মচারী, হাজিরা আর বেতন — রেজিস্টার খাতা আর এক্সেল শিটের ঝামেলা ছাড়া, সব এক জায়গায়।
যাঁরা এডুনিক্স ব্যবহার করছেন
পরীক্ষামূলকভাবে নয়, পুরোদমে — একটি প্রতিষ্ঠান তাদের ভর্তি, পরীক্ষা, শিক্ষক-কর্মচারী আর বেতনের হিসাব এডুনিক্সেই চালাচ্ছে।
লুৎফুর রহমান আলিম (ক্যাডেট) মাদ্রাসা
১৩০০জন শিক্ষার্থীর সব কাজ চলছে এডুনিক্সে
খাতা-কলমের ঝামেলা শেষ
এই কাজগুলো এখন হয়তো রেজিস্টার খাতায়, এক্সেলে আর ফটোকপির ফাইলে ছড়িয়ে আছে। এডুনিক্সে সব থাকে একসাথে — ভর্তির সময় যে রোল নম্বর দেওয়া হয়, সেটিই অ্যাডমিট কার্ডে, টেবুলেশন শিটে আর বেতনের রসিদে চলে আসে।
SMS · ERP · HRM · ACC
শিক্ষার্থী ও একাডেমিক কাজ, ইউজার ও হাজিরা, শিক্ষক-কর্মচারী আর হিসাব — সব একই ডেটাবেজে। তাই এক সফটওয়্যারের তথ্য আরেকটার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার ঝামেলা নেই।
শিক্ষার্থীর তথ্য একবারই এন্ট্রি হয়, প্রতি বছর শুধু নতুন ক্লাসে ভর্তি — তাই ক্লাস বদলালেও আগের সব রেকর্ড থেকে যায়।
শিক্ষক ও কর্মচারীর সব তথ্য, ডিউটি আর ছুটির অনুমোদন — এক জায়গায়।
কে কোন পেজে ঢুকতে পারবেন তা আপনিই ঠিক করেন, সঙ্গে প্রতিদিনের হাজিরা।
পেছনে পূর্ণাঙ্গ ডাবল-এন্ট্রি হিসাব, তাই আদায় আর রিপোর্ট সবসময় মিলে থাকে।
ফিচার
একটি প্রতিষ্ঠান চালাতে রোজ যা লাগে — সব এক সফটওয়্যারে, একই লগইনে।
ছবি, অভিভাবকের তথ্যসহ প্রোফাইল; ট্রান্সফার ও আর্কাইভ।
শিক্ষকের ডিউটির সঙ্গে যুক্ত, রমজানের আলাদা রুটিনসহ।
শিক্ষার্থী ও কর্মচারীর দৈনিক হাজিরা, হাজিরা মেশিন থেকেও।
লিখিত, এমসিকিউ, ব্যবহারিক — কীবোর্ডে দ্রুত এন্ট্রি।
জিপিএ-৫, মেধাক্রম আর ৯ ধরনের রিপোর্ট নিজে থেকেই।
পুরো ক্লাসের কার্ড একসাথে, পরীক্ষার রুটিনসহ।
মাসিক বিল, ক্যাশ কাউন্টার, রসিদ আর অনলাইন পেমেন্ট।
লেজার, রেওয়ামিল, আয়-ব্যয় বিবরণী, ব্যালান্স শিট।
যোগ্যতা, পদবি, এনটিআরসিএ ও এমপিও তথ্য এক প্রোফাইলে।
ছুটির আবেদন, বছরের কোটা আর ধাপে ধাপে অনুমোদন।
কে কোন পেজে কী করতে পারবেন, আর সব পরিবর্তনের অডিট লগ।
রুটিন, রেজাল্ট আর বেতনের বিল — নিজের লগইনে।
মডিউল ০১ SMS · শিক্ষার্থী
শিক্ষার্থীর তথ্য একবারই এন্ট্রি করতে হয়। প্রতি বছর শুধু নতুন ক্লাস, শাখা, গ্রুপ আর রোল যোগ হয় — তাই গত বছরের রেজাল্ট গত বছরের ক্লাসেই থেকে যায়। ট্রান্সফার হলে রেকর্ডও সঙ্গে যায়, আর্কাইভ করলেও কিছু মুছে যায় না।
মডিউল ০২ SMS · পরীক্ষা ও রেজাল্ট
লিখিত, এমসিকিউ, ব্যবহারিক আর পাস নম্বর — মার্ক ডিস্ট্রিবিউশন একবার সেট করে দিন। এরপর টেবুলেশন শিট, গ্রেড, জিপিএ আর মেধাক্রম নিজে থেকেই তৈরি হয়। কেউ অনুপস্থিত বা বহিষ্কৃত হলে সেটাই লেখা থাকে, শূন্য বসিয়ে দেওয়া হয় না।
মডিউল ০৩ HRM · শিক্ষক-কর্মচারী
প্রত্যেকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, চাকরির ইতিহাস, আর শিক্ষকদের এনটিআরসিএ ও এমপিও তথ্য থাকে এক প্রোফাইলে। ক্লাস রুটিন আর পরীক্ষার হলের ডিউটি শিক্ষকের নামের সঙ্গে যুক্ত — একই সময়ে কাউকে দুই জায়গায় ডিউটি দিতে গেলে সিস্টেম আটকে দেয়।
মডিউল ০৪ ERP · পারমিশন ও হাজিরা
প্রতিটি পেজের জন্য আলাদা পারমিশন দিন — দেখা, যোগ, এডিট, ডিলিট। হিসাবরক্ষক মার্কস এন্ট্রিতে ঢুকতে পারবেন না, শিক্ষকও হিসাবের খাতায় নয়। কে কখন কী বদলালেন, সব অডিট লগে থেকে যায়।
মডিউল ০৫ ACC · ফি ও হিসাব
এক ক্লিকে পুরো ক্লাসের মাসিক বিল তৈরি করুন। কাউন্টারে বা অনলাইনে টাকা নিন, রসিদ প্রিন্ট করুন — প্রতিটি লেনদেন নিজে থেকেই হিসাবের খাতায় উঠে যায়। মাস শেষে রেওয়ামিল মেলাতে আলাদা করে বসতে হয় না।
এক নজরে আয়-ব্যয়
এ মাসে কত আদায় হলো, কত বাকি, কার কাছে সবচেয়ে বেশি বকেয়া, সর্বশেষ কারা টাকা দিলেন — সব এক স্ক্রিনে, হিসাবরক্ষকের খাতা থেকেই।
শুধু অফিসের জন্য নয়
শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, কর্মচারী — প্রত্যেকে শুধু নিজের দরকারি পেজগুলো দেখেন। রেজাল্ট বা মার্কশিটের জন্য আর অফিসে ফোন করতে হয় না।
এ সপ্তাহের রুটিন, সামনের পরীক্ষা, রেজাল্ট, বেতনের বিল আর অনলাইনে পেমেন্ট।
নিজের ক্লাস রুটিন ও পরীক্ষার ডিউটি, নিজের শাখার হাজিরা, আর যে ক্লাসগুলো নেন সেগুলোর মার্কস এন্ট্রি।
নিজের প্রোফাইল, কত দিন ছুটি বাকি, ছুটির আবেদন — আর যাঁরা ছুটি অনুমোদন করেন, তাঁদের কাছে জমা থাকা আবেদনগুলো।
প্রতিটি পেজের জন্য আলাদা পারমিশন — দেখা, যোগ, এডিট, ডিলিট — আর সব পরিবর্তনের অডিট লগ।
ভিডিওতে দেখুন
ডেমো প্রতিষ্ঠানে রেকর্ড করা — প্রথমে অ্যাডমিন প্যানেল, তারপর শিক্ষার্থীর পোর্টাল, ধাপে ধাপে।
২০ মিনিট · শিক্ষার্থী, পরীক্ষা ও রেজাল্ট, HRM, বেতন, হিসাব — তারপর শিক্ষার্থীর পোর্টাল · ইংরেজি ধারাভাষ্য
কেন এডুনিক্স
হাতে যোগ-বিয়োগ নেই, তাই টেবুলেশন শিটে ভুলও নেই। অনুপস্থিত আর বহিষ্কৃতও আলাদা করে লেখা থাকে।
প্রতিটি টাকার রসিদ আর হিসাবের খাতা সবসময় মিলে থাকে; কে কখন কী বদলালেন, তাও লেখা থাকে।
পুরো ক্লাসের বিল, অ্যাডমিট কার্ড আর রেজাল্ট — এক ক্লিকে। খাতা থেকে এক্সেলে তোলার কাজ আর নেই।
রেজাল্ট, রুটিন আর বকেয়া বেতন অভিভাবকেরা নিজের লগইনেই দেখেন — অফিসে ফোন করতে হয় না।
যাঁর যে কাজ, তিনি শুধু সেটুকুই দেখেন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য শুধু সেই প্রতিষ্ঠানের।
মেনু থেকে প্রিন্ট করা রিপোর্ট — সবখানে বাংলা, অফিসে যে শব্দগুলো রোজ ব্যবহার হয় সেগুলোই।
আগের চেয়ে দ্রুত
* অফিসের একজন অভ্যস্ত কর্মীর আনুমানিক সময়।
বাংলাদেশের জন্যই তৈরি
বিদেশি সফটওয়্যারকে জোড়াতালি দিয়ে মানিয়ে নেওয়া নয় — শুরু থেকেই এভাবে তৈরি।
প্রতিটি ক্লাসের জন্য নিজের গ্রেডের সীমা ও মন্তব্য। চতুর্থ বিষয়ের নম্বর বোর্ডের নিয়মেই হিসাব হয়।
নাম বাংলা ও ইংরেজি দুটোতেই, আর প্রিন্ট করা প্রতিটি রিপোর্টে যুক্তাক্ষরসহ নির্ভুল বাংলা।
প্রভাতী ও দিবা শিফট, বালক ও বালিকা শাখা, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ — আপনার প্রতিষ্ঠান যেভাবে সাজানো, সেভাবেই।
রমজানের জন্য আলাদা রুটিন একবার বানিয়ে রাখুন, সময় হলে এক ক্লিকে চালু করুন — প্রতিটি পিরিয়ড নতুন করে লিখতে হবে না।
পুরো ক্লাস বা নির্দিষ্ট রোলের জন্য একসাথে তৈরি, কার্ডেই পরীক্ষার রুটিন ছাপা থাকে।
বিল ও রসিদ টাকায়, আর অভিভাবকেরা যেভাবে অভ্যস্ত সেভাবেই অনলাইনে পেমেন্ট।
সফটওয়্যারের ভেতরটা
প্রতিটি ছবি ডেমো প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া — যেমন দেখছেন, সফটওয়্যারে ঠিক তেমনই।







ডাউনলোড করে রাখুন
চার পৃষ্ঠার একটি পিডিএফ — মডিউলগুলো, সফটওয়্যারের আসল স্ক্রিন আর যে প্রতিষ্ঠান এটি ব্যবহার করছে। বাংলা ও ইংরেজি আলাদা দুটি কপি আছে। ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ের জন্য প্রিন্ট করে নিন, বা ফোনে রেখে দিন।
পিডিএফ · A4 · ৪ পৃষ্ঠা · প্রিন্টের উপযোগী
কীভাবে শুরু করবেন
নিচের ফর্মে আপনার তথ্য দিন — শুধু ফোন নম্বর দিলেও চলবে।
আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন শুনে ডেমোতে দেখিয়ে দিই, কোন কাজ কীভাবে হবে।
ক্লাস, শাখা, বিষয়, ফি আর শিক্ষার্থীর তথ্য সিস্টেমে তোলা হয়।
প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব লগইনে অফিসের কাজ শুরু হয় এডুনিক্সে।
পরামর্শ নিন
যতটুকু তথ্য দিতে চান, দিন — আমরাই আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করব। কোনো ঘর পূরণ করা বাধ্যতামূলক নয়; শুধু ফোন নম্বর দিলেও চলবে।
চাইলে আগে ডেমোটা ঘুরে দেখুন — এক বছরের আসল তথ্যসহ পুরো একটি প্রতিষ্ঠান সাজানো আছে, দেখতে শুধু একটি ক্লিক।
আসল ডেটায় দেখুন
১,৫০০ শিক্ষার্থী, মার্কস এন্ট্রিসহ একটি পূর্ণ পরীক্ষা, শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য আর এক মাসের বিল। কিছু ইনস্টল বা রেজিস্ট্রেশন করতে হবে না — খুলে ঘুরে দেখুন।
লগইন পেজে ডেমো অ্যাকাউন্টের তথ্য আগেই বসানো থাকে — শুধু Sign in চাপুন, সরাসরি অ্যাডমিন প্যানেলে চলে যাবেন। সেখানে ১,৫০০ শিক্ষার্থী আর পুরো এক বছরের রেকর্ড আছে।